সেরা ব্যাটারি লাইফের ১০ ল্যাপটপ

এই ১০ টি ল্যাপটপের প্রত্যেকটিকেই ব্যাটারি টেস্টে মনিটরের ৪০ শতাংশ উজ্জ্বলতায় ওয়াইফাই সংযুক্ত অবস্থায় রেখে পরীক্ষা করা হয়েছে। এদের কয়েকটি বিল্ট ইন ব্যাটারিতেই ভাল কাজ করে। আবার কয়েকটি আলাদা কেনা ব্যাটারিতে ভাল কাজ করে।
১. লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্স-২৩০
একদম অস্বাভাবিক না হলেও লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্স-২৩০ ল্যাপটপটি বেশ ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয়। ৬ সেলের পূর্ণ চার্জ করা ১২ ইঞ্চির এই ল্যাপটপটি ৬ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। যদি ৯ সেলের ব্যাটারি (আলাদা কিনতে হবে) ব্যবহার করেন তবে ১২ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় ব্যাকআপ পাবেন। তবে যদি আপনি এর ৬ সেলের ব্যাটারির সাথে একটি শীট ব্যাটারি ব্যবহার করেন তবে তা একত্রে ১৫ ঘণ্টা ২৯ মিনিট ব্যাকআপ দিবে। অন্যদিকে ৯ সেলের ব্যাটারির সাথে একটি শীট ব্যাটারির ব্যবহার আপনাকে দিবে ২০ ঘণ্টা ৪৬ মিনিটের ব্যাকআপ!
২. লেনোভো থিঙ্কপ্যাড টি-৪৩০
ব্যাটারি লাইফের ক্ষেত্রে লেনোভো থিঙ্কপ্যাড টি-৪৩০ ল্যাপটপটি আপনাকে কখনই হতাশ করবে না। কারণ এতে বিল্ট ইন অবস্থায় রয়েছে একটি ৯ সেলের শক্তিশালী ব্যাটারি। যা আপনাকে দিবে ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের ব্যাটারি ব্যাকআপ।
৩. লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্সওয়ান কার্বন
লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্সওয়ান কার্বন হচ্ছে এই সিরিজের সবচাইতে পাতলা ল্যাপটপ। এটি ব্যাটারি ব্যাকআপ দিবে ৭ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।
৪. ডেল ল্যাটিচিউড ই-৬৪৩০
উচ্চ কার্যক্ষমতার ল্যাপটপগুলোর মধ্যে ডেল ল্যাটিচিউড ই-৬৪৩০ আরেকটি জনপ্রিয় ল্যাপটপ। এটির ডিজাইন যেমন দৃষ্টিনন্দন তেমনি পারফর্মেন্সও দারুণ। অত্যাধুনিক কিবোর্ড, শক্তিশালী কার্যক্ষমতার পাশাপাশি এতে রয়েছে দীর্ঘ সময় ব্যাটারি ব্যাকআপের নিশ্চয়তা। ৯ সেলের একটি ব্যাটারিতে (বিল্টইন নয়) পরীক্ষা করার পর এটি ১০ ঘণ্টা ৩৭ মিনিটের ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হয়।
৫. সনি ভায়ো এসই
সনি ভায়ো সিরিজের ল্যাপটপগুলোতে সব সময়য়ই ডিজাইনের ওপর বেশ গুরুত্ব দেয়া হয়। সনি ভায়ো এসই ল্যাপটপটিতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ১৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের নজরকাঁড়া ডিজাইনের পাশাপাশি এতে রয়েছে সহজে বহনযোগ্যতা। কেননা এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা। আলাদা ব্যাটারি শিটের সাথে এটি ৪ ঘণ্টা ১৮ মিনিটের ব্যাকআপ দেয়। তবে সনির নিজস্ব শিট ব্যাটারির ব্যবহারে এটি প্রায় ১০ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের মত ব্যাকআপ দিতে পারে। আর সনির নিজস্ব এই শিট ব্যাটারির দাম পড়বে প্রায় ১৫০ মার্কিন ডলার।
৬. ডেল এক্সপিএস ১৪
ওজনে খুব একটা হালকা না হলেও কার্যক্ষমতার বিচারে ডেল এক্সপিএস ১৪ আপনাকে হয়ত হতাশ করবে না। ১৪ ইঞ্চির এই ল্যাপটপটিতে রয়েছে একটি শক্তিশালী ব্যাটারি যার কারণেই এর ওজন কিছুটা বেশি। ডেল এক্সপিএস ১৪ আপনাকে প্রায় ৮ ঘণ্টা ১৪ মিনিট নিশ্চিন্তে কাজ করার নিশ্চয়তা দেবে।
৭. অ্যাপল ম্যাকবুক এয়ার
নিঃসন্দেহে অ্যাপল ম্যাকবুক এয়ারের মত একটি ল্যাপটপের মালিক হতে চাইবেন যে কেউই। এর অসাধারণ পাতলা ডিজাইন এবং অবিশ্বাস্য হালকা ওজন একে করেছে অন্য যেকোনো ল্যাপটপের তুলনায় স্বতন্ত্র। অনেক প্রতিষ্ঠানই এর ডিজাইন অনুকরণ করতে চেষ্টা করেছে। তবে খুব একটা সফল হতে পারেনি। এর অন্যান্য ঈর্ষনীয় সুবিধার পাশাপাশি এতে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপের সুবিধা। এটি ৮ ঘণ্টা ১০ মিনিটের মত ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম।
৮. অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো (রেটিনা ডিসপ্লে সম্বলিত)
রেটিনা ডিসপ্লে সম্বলিত অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো ল্যাপটপটির বিশেষত্বই হচ্ছে এর অসাধারণ উন্নত ডিসপ্লে। আর অনেকেই ভাবতে পারেন যেহেতু এত উন্নত ডিসপ্লে তাহলে সেটা নিশ্চয়ই খুব বেশিক্ষণ ব্যাটারিতে চলবে না। কিন্তু আপনার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত করে এটি ৮ ঘণ্টার মত ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে।
৯. তোশিবা পোর্টেজ আর-৮৩৫
তোশিবা পোর্টেজ আর-৮৩৫ কে বলা যায় একটি বিজনেস ল্যাপটপ। খুব একটা হালকা না হলেও এর শক্তিশালী বিল্টইন ব্যাটারিতে একবার পূর্ণ চার্জে এটি ৭ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের ব্যাকআপ দিতে পারবে।
১০. এসার এস্পায়ার টাইমলাইনইউ এম৫-৫৮১ টিজি-৬৬৬৬
এসার এস্পায়ার টাইমলাইনইউ হচ্ছে আরেকটি অসাধারণ শক্তিশালী ল্যাপটপ। এর ১৫ ইঞ্চির বড় স্ক্রিন, দারুণ গ্রাফিক্স, হালকা ওজন ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি যে কাউকেই আকৃষ্ট করবে। আপনি যদি অনেক বেশি মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে চান তবে এই ল্যাপটপটি আপনার জন্যে। কেননা এটি আপনাকে ৭ ঘণ্টা ২৯ মিনিটের মত ব্যাটারি সাপোর্ট দিবে।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন