চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন – ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে।
কী যাতনা ব্যাচেলরে, বুঝিবে সে কিসে – কভূ থাকেনি যে !!!
যতদিন ভবে, না হবে না হবে – তোমার অবস্থা আমার সম।
ঈষৎ হাসিবে, শুনে না শুনিবে – বুঝে না বুঝিবে, যাতনা মম।
ব্যাচেলার রা হইল এক অসহায় প্রজাতি, পশু – পক্ষীরেও লোকে চিড়িয়াখানায় ঠাই দেয় লেকিন ব্যাচেলরদের আবাসনের জন্য কাহার ও কোন চিন্তা না থাকিলেও উহাদের আবাসভূমি সঙ্কুচিত করার মহানুভব চিন্তায় সমগ্র বাংলাদেশের বাড়িওলাদের জরুরিভাবে আক্রান্ত হইতে দেখা যায়। এইভাবে চলিতে থাকিলে একদিন হয়ত ব্যাচেলাররা শুধুমাত্র জাদুঘরেই শোভাবর্ধন করিবে !
যাহাই হোক মফিজের কথায় আসি। জনাব মফিজ আমাদের এই দুর্ভাগা দেশের হতভাগা ব্যাচেলর।
তাহার দুঃখের কথা কি বলিব তাহার দুঃখ সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টনি দুঃখ। ব্যাচেলরদের যাহা হয় আর কি তাহাদের আবাসনের চিন্তায় সর্বদাই তাহাদের ব্যতিব্যস্ত থাকিতে হয় বা তাহাদের থাকিতে বাধ্য করা হয়। মফিজকেও শান্তিতে থাকিতে দিল কই!! দফায় দফায় বাড়ি ভাড়া বাড়াইয়া এই গরমে মফিজকে আর ও তপ্ত বানাইয়া ফেলিল বাড়িওলা মশায়।
অতএব মফিজ তাহার নতুন ঠিকানার খোঁজে বাহির হইল। ভাইরে !!! ইহা মোটেও সহজ কাজ নহে। এভারেস্ট বিজয় ও ইহার কাছে অতিশয় নস্যি। প্রথমেই মফিজ টু লেট দেখিয়া এক বাসায় প্রবেশ করিল। বাড়িওলা এক বিশাল বপুধারি মহিলা। তাহাকে দৃষ্টিগোচর হইবা মাত্রই শরীরের সমস্ত শর্করা ( চিনি ) গলায় আনিয়া মফিজ মধুর গলায় কহিল – ব্যাচেলর কি ভাড়া দেয়া হইবে ? মহিলাও যেন সেই শর্করায় দ্রবীভূত হইয়া গেল। তাহার ইতিবাচক উত্তরে মফিজ খুশিতে মগডালে উঠিয়া গেল। মনে মনে নিজের মধুর কণ্ঠের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হইয়া গেল তবে ভাড়ার অংকটা শুনিতেই মগডাল হইতে নামিতে ও বেশি দেরি হইল না। তাহার বাসায় যে সব ফ্যামিলি বাসা থাকে তাহাদের চাইতেও বেচারা মফিজকে ১২০০ টাকা বেশি গুণিতে হইবে !! ব্যাচেলার দের পাইলে বাড়িওলারা ঝোপ বুঝিয়া কোপ মারিবে ইহা অতীব সত্য কিন্তু তাহা বলিয়া একেবারে জবাই !! মফিজ ইহার হেতু জনিতে চাহিলে মহিলা মুচকি হাসিয়া কহিল, যেহেতু ব্যাচেলার দের মালামাল কম তাই তাহারা যে কোন সময় পালাইয়া যাইতে পারে !! ইহা ছাড়াও ব্যাচেলররা ফ্যামিলি বাসার সদস্যদের কারণে অকারণে অশেষ বিরক্তি উৎপাদন করে !! তাই তাহাদের নিকট হইতে বেশি রাখিতেই হইবে! এমন কথন স্রবণ করিয়া মফিজের তখনই ব্যাচেলর জীবনের ইতি টানিতে ইচ্ছে হইল কিন্তু উপায় কি গুলাম হুসেন !!
অতঃপর মফিজ তাহার ব্যাচেলার জীবনকে শাপশাপান্ত করিয়া এক চাচামিয়ার বাসায় হানা দিল। চাচামিয়া শুরুতেই তাহাকে না বলিয়া দিল। কারণ দর্শাইয়া চাচামিয়া বলিলেন – যেহেতু ভাড়াটিয়া ও তাহার নিজের উপযুক্ত বিবাহযোগ্য কন্যা রহিয়াছে সেহেতু ব্যাচেলার নামক অনাহুত জীবের প্রবেশ করাইয়া উপদ্রপ বাড়াইতে তিনি ইচ্ছুক নন। মুহূর্তেই মফিজের কোমল হৃদয় চূর্ণ- বিচূর্ণ হইয়া মনে মনে আর্তনাদ করিতে লাগিল- হারাইলাম !! ইহাদের হারাইলাম !!! যাবার আগে মফিজ চাচামিয়া কে কহিল আপনাকে আপন ভাইবা কই – ”আপনি আপনার উপযুক্ত কন্যাকে অবশ্যই কোন ভাল বিবাহিত পাত্রের কাছে সমর্পণ করিবেন কোনক্রমেই বজ্জাত ব্যাচেলরদিগকে নয়!
অবশেষে মফিজ পাহাড়সম কষ্ট স্বীকার করিয়া আপন নীড় জোগাড় করিতে সমর্থ হইল। তাহার পিছনের কথা নাইবা বলিলাম। কিন্তু এইভাবে আর কতদিন কাটিবে!! জাতীয় জীবনে ব্যাচেলরদের এত অবদান -তাহারা পানি – বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, বাড়িওলার অত্যাচারে তাহারা ভালমত জোরে গান শুনিয়া তারুন্যের উচ্ছ্বাস ঘটাইতে পারে না, বাড়িওলার সাত চড়েও তাহাদের কোন রা নাই ,তবু তাহাদের ললাটে কেন এত বঞ্চনা!! কেন এমন অত্যাচার অথচ অনেক আগেই কবি কহিয়া গিয়াছেন -
হে ব্যাচেলর !!
তুমি মোরে করেছ মহান !!
তুমি মোরে দানিয়াছ মহাজাগতিক সম্মান !!
পিঠ ঠেকানো ব্যাচেলরদের ঘুরিয়া দাঁড়াইতে একত্র হওয়া ছাড়া কোন গতি নাই মফিজ ইহা হাড়ে হাড়েই টের পাইতাছে !! এখনি সময় একত্রিত হইয়া ব্যাচেলরদের সরকারের উপর তাহাদের ন্যায্য দাবি উথাপন করা !! শিল্পায়ন এর জন্য সরকার যদি বিশেষ অঞ্চল বা ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করিতে পারে তাহলে জাতির অমূল্য ধন ব্যাচেলরদের জন্য কেন বিশেষ আবাসন অঞ্চল এলাকায় এলাকায় প্রতিষ্ঠা করা যাইবে না ? এবং যতদিন পর্যন্ত সরকার এই সুবিধা দিতে না পারিবে ততদিন পর্যন্ত বাড়িওলাদের ৫০ % ঘর ব্যাচেলরদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হোক।
এখন কোথা হইতে শুরু হইবে আন্দোলন ? কেন ফেসবুক !! ইহা দ্বারা মিসর তিউনিশিয়ার তখতে – তাউস পর্যন্ত উড়িয়া গেল !! ব্যাচেলররা যে সফলকাম হইবে ইহা চক্ষু মুদিয়াই বলিয়া দেয়া যায়।
অতি শীঘ্রই ফেসবুকে পেইজ খুলিয়া মফিজ তাহার কার্যক্রম শুরু করিবে। ব্যাচেলর ভাইয়েরা আছেন ত তাহার সনে ?
কী যাতনা ব্যাচেলরে, বুঝিবে সে কিসে – কভূ থাকেনি যে !!!
যতদিন ভবে, না হবে না হবে – তোমার অবস্থা আমার সম।
ঈষৎ হাসিবে, শুনে না শুনিবে – বুঝে না বুঝিবে, যাতনা মম।
ব্যাচেলার রা হইল এক অসহায় প্রজাতি, পশু – পক্ষীরেও লোকে চিড়িয়াখানায় ঠাই দেয় লেকিন ব্যাচেলরদের আবাসনের জন্য কাহার ও কোন চিন্তা না থাকিলেও উহাদের আবাসভূমি সঙ্কুচিত করার মহানুভব চিন্তায় সমগ্র বাংলাদেশের বাড়িওলাদের জরুরিভাবে আক্রান্ত হইতে দেখা যায়। এইভাবে চলিতে থাকিলে একদিন হয়ত ব্যাচেলাররা শুধুমাত্র জাদুঘরেই শোভাবর্ধন করিবে !
যাহাই হোক মফিজের কথায় আসি। জনাব মফিজ আমাদের এই দুর্ভাগা দেশের হতভাগা ব্যাচেলর।
তাহার দুঃখের কথা কি বলিব তাহার দুঃখ সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টনি দুঃখ। ব্যাচেলরদের যাহা হয় আর কি তাহাদের আবাসনের চিন্তায় সর্বদাই তাহাদের ব্যতিব্যস্ত থাকিতে হয় বা তাহাদের থাকিতে বাধ্য করা হয়। মফিজকেও শান্তিতে থাকিতে দিল কই!! দফায় দফায় বাড়ি ভাড়া বাড়াইয়া এই গরমে মফিজকে আর ও তপ্ত বানাইয়া ফেলিল বাড়িওলা মশায়।
অতএব মফিজ তাহার নতুন ঠিকানার খোঁজে বাহির হইল। ভাইরে !!! ইহা মোটেও সহজ কাজ নহে। এভারেস্ট বিজয় ও ইহার কাছে অতিশয় নস্যি। প্রথমেই মফিজ টু লেট দেখিয়া এক বাসায় প্রবেশ করিল। বাড়িওলা এক বিশাল বপুধারি মহিলা। তাহাকে দৃষ্টিগোচর হইবা মাত্রই শরীরের সমস্ত শর্করা ( চিনি ) গলায় আনিয়া মফিজ মধুর গলায় কহিল – ব্যাচেলর কি ভাড়া দেয়া হইবে ? মহিলাও যেন সেই শর্করায় দ্রবীভূত হইয়া গেল। তাহার ইতিবাচক উত্তরে মফিজ খুশিতে মগডালে উঠিয়া গেল। মনে মনে নিজের মধুর কণ্ঠের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হইয়া গেল তবে ভাড়ার অংকটা শুনিতেই মগডাল হইতে নামিতে ও বেশি দেরি হইল না। তাহার বাসায় যে সব ফ্যামিলি বাসা থাকে তাহাদের চাইতেও বেচারা মফিজকে ১২০০ টাকা বেশি গুণিতে হইবে !! ব্যাচেলার দের পাইলে বাড়িওলারা ঝোপ বুঝিয়া কোপ মারিবে ইহা অতীব সত্য কিন্তু তাহা বলিয়া একেবারে জবাই !! মফিজ ইহার হেতু জনিতে চাহিলে মহিলা মুচকি হাসিয়া কহিল, যেহেতু ব্যাচেলার দের মালামাল কম তাই তাহারা যে কোন সময় পালাইয়া যাইতে পারে !! ইহা ছাড়াও ব্যাচেলররা ফ্যামিলি বাসার সদস্যদের কারণে অকারণে অশেষ বিরক্তি উৎপাদন করে !! তাই তাহাদের নিকট হইতে বেশি রাখিতেই হইবে! এমন কথন স্রবণ করিয়া মফিজের তখনই ব্যাচেলর জীবনের ইতি টানিতে ইচ্ছে হইল কিন্তু উপায় কি গুলাম হুসেন !!
অতঃপর মফিজ তাহার ব্যাচেলার জীবনকে শাপশাপান্ত করিয়া এক চাচামিয়ার বাসায় হানা দিল। চাচামিয়া শুরুতেই তাহাকে না বলিয়া দিল। কারণ দর্শাইয়া চাচামিয়া বলিলেন – যেহেতু ভাড়াটিয়া ও তাহার নিজের উপযুক্ত বিবাহযোগ্য কন্যা রহিয়াছে সেহেতু ব্যাচেলার নামক অনাহুত জীবের প্রবেশ করাইয়া উপদ্রপ বাড়াইতে তিনি ইচ্ছুক নন। মুহূর্তেই মফিজের কোমল হৃদয় চূর্ণ- বিচূর্ণ হইয়া মনে মনে আর্তনাদ করিতে লাগিল- হারাইলাম !! ইহাদের হারাইলাম !!! যাবার আগে মফিজ চাচামিয়া কে কহিল আপনাকে আপন ভাইবা কই – ”আপনি আপনার উপযুক্ত কন্যাকে অবশ্যই কোন ভাল বিবাহিত পাত্রের কাছে সমর্পণ করিবেন কোনক্রমেই বজ্জাত ব্যাচেলরদিগকে নয়!
অবশেষে মফিজ পাহাড়সম কষ্ট স্বীকার করিয়া আপন নীড় জোগাড় করিতে সমর্থ হইল। তাহার পিছনের কথা নাইবা বলিলাম। কিন্তু এইভাবে আর কতদিন কাটিবে!! জাতীয় জীবনে ব্যাচেলরদের এত অবদান -তাহারা পানি – বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, বাড়িওলার অত্যাচারে তাহারা ভালমত জোরে গান শুনিয়া তারুন্যের উচ্ছ্বাস ঘটাইতে পারে না, বাড়িওলার সাত চড়েও তাহাদের কোন রা নাই ,তবু তাহাদের ললাটে কেন এত বঞ্চনা!! কেন এমন অত্যাচার অথচ অনেক আগেই কবি কহিয়া গিয়াছেন -
হে ব্যাচেলর !!
তুমি মোরে করেছ মহান !!
তুমি মোরে দানিয়াছ মহাজাগতিক সম্মান !!
পিঠ ঠেকানো ব্যাচেলরদের ঘুরিয়া দাঁড়াইতে একত্র হওয়া ছাড়া কোন গতি নাই মফিজ ইহা হাড়ে হাড়েই টের পাইতাছে !! এখনি সময় একত্রিত হইয়া ব্যাচেলরদের সরকারের উপর তাহাদের ন্যায্য দাবি উথাপন করা !! শিল্পায়ন এর জন্য সরকার যদি বিশেষ অঞ্চল বা ইপিজেড প্রতিষ্ঠা করিতে পারে তাহলে জাতির অমূল্য ধন ব্যাচেলরদের জন্য কেন বিশেষ আবাসন অঞ্চল এলাকায় এলাকায় প্রতিষ্ঠা করা যাইবে না ? এবং যতদিন পর্যন্ত সরকার এই সুবিধা দিতে না পারিবে ততদিন পর্যন্ত বাড়িওলাদের ৫০ % ঘর ব্যাচেলরদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হোক।
এখন কোথা হইতে শুরু হইবে আন্দোলন ? কেন ফেসবুক !! ইহা দ্বারা মিসর তিউনিশিয়ার তখতে – তাউস পর্যন্ত উড়িয়া গেল !! ব্যাচেলররা যে সফলকাম হইবে ইহা চক্ষু মুদিয়াই বলিয়া দেয়া যায়।
অতি শীঘ্রই ফেসবুকে পেইজ খুলিয়া মফিজ তাহার কার্যক্রম শুরু করিবে। ব্যাচেলর ভাইয়েরা আছেন ত তাহার সনে ?