by- Owais Tamim



(১)
-"ওই তোরা যা।এহানে আমরা খেলুম"।
-"যা মানে?কইলেই হইলো? আমরা আগে আইসি এহানে"।
-"মাইয়া মানুষ এত খেলা কিরে?উঠ কইলাম!!"।
-"কি করবি?কি করবি না উঠলে?এহ!! ক্রিকেট খেলতে আইসে!!সাকিব আল হাসান হইব।শখ কত!!"।

.

সকাল সকাল একটা হট্টগোল বেঁধে গেল রেশমপুর বস্তির ছেলে মেয়েদের
একমাত্র বিনোদনের জায়গা এক টুকরো খালি জায়গাটাতে। ঝগড়ার দুই পক্ষ।এক দল মেয়ে,আরেকদল ছেলে। মেয়েদের দল খেলতে চায়
বৌচি,আর ছেলেরা ক্রিকেট। ঝগড়া চলুক।তার আগে আমরা চরিত্রগুলোর নাম ঠিক করি। বস্তির ছেলেমেয়ে বলে ওদের নামও হবে বস্তির মত।আধুনিক হাই ক্লাস মানুষের মত না।
ধরে নেওয়া যাক,ছেলেদের দলের দল নেতার নাম সুমন।বস্তিতে একটা ঘর ভাড়া করে মার সাথে থাকে।বয়স ১৫। অন্য সব মেয়ে চুপচাপ জায়গা ছেলেদের দিয়ে দিতে চাইলেও যে মেয়েটি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছিল,ধরি তার নাম ঊর্মি।একি বস্তিতে বাবা মা আর ছোট ভাইয়ের সাথে থাকে।বয়স সুমনের মতই। সারাদিন চলে ঊর্মি আর সুমনের ঝগড়া। অনেকটা টম এন্ড জেরির মত।কিন্তু দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বটাও অনেক ভাল। ঝগড়া বেড়েই চলেছে। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।

.



.

(২)
-"উফ এই সকাল সকাল এই লো ক্লাসের মানুষগুলো আবার শুরু করেছে।কোন দুঃখে যে বাবা এই বস্তির পাশে ফ্ল্যাট নিলো গড নোস।ঘুমটাই হারাম করে দিলো।"
কথাগুলো বলছিল সেই বস্তির ছোট মাঠটি ঘেঁষে গড়ে উঠা এক বিলাসবহুল
ফ্ল্যাটের বাসিন্দা হাসান সাহেবের একমাত্র ছেলে পিয়াস। সকাল ১১ টা বেজে গেলেও এখনো সে ঘুম থেকে উঠতে পারছে না। কি করে উঠবে!!রাত জেগে অনেকগুলো মেয়েদের সাথে ফেবুতে ফ্লার্ট করতে করতেই তো ঘুমাতে অনেক রাত হয়ে গেল। মেয়েদেরকে ইউজ করা তার শখ।এই ব্যাপারে সে এক্সপার্ট।সহজ কথায় বললে, ক্যারেক্টারলেস।
-"বাবা,দারোয়ানকে বল তো কারা এই সকালে চিল্লাচিল্লি করতেসে দেখতে!!
ধরে দুইটা দাবড়ানি দিতে বল!!"।

.


.


(৩)
-"ঊর্মি,বাদ দে ভাই।এই সকালে কইজ্জা কইরা লাভ নাই।চল যাইগা।",ঊর্মিকে মানানোর চেষ্টা করল তার আরেক বান্ধবি।
-"না কেন!! কেন মানমু!!আমরা কি......।" পুরো কথাটা শেষ করতে পারল না।তার আগেই কে জানি চেঁচিয়ে উঠলো,"আইয়ে আইয়ের!! জল্লাদ আইয়ের!!পালা সবাই!!"।
কিছু বুঝে উঠার আগেই কে জানি ঊর্মির পিঠে বেত দিয়ে প্রচণ্ড জোরে মারল। ব্যাথায় কুঁকড়ে উঠে ফিরে তাকাতেই দেখল ফ্ল্যাটের দারোয়ান।সেখান থেকে পালাতে চাইতেই আরেকটা মার ঊর্মির হাতে পড়লো।কোন মতে পালিয়ে এল সেখান থেকে। ব্যথা পেয়েছে অনেক।অনেক ব্যথা।
-"ব্যাথা পাইসস বেশি ঊর্মি?।" মাথা উঠিয়ে দেখল সুমন।
-"তাতে তোর কি হ্যাঁ? যা খেলগা ক্রিকেট।বেয়াদপ পোলা।" ঊর্মির চোখে পানি।অভিমানের। কষ্টের।
-"দেখি কোথায় ব্যথা পাইসস।" হাতের সেই লাল জায়গাটা দেখেই মাথায় রক্ত উঠে গেল সুমনের।শালার কুত্তার বাচ্চা দারোয়ান।কি করা যায় এখন ঊর্মিকে! দৌড়ে গিয়ে আইসক্রিমের ট্রলিওয়ালার কাছে গেল।পকেট হাতড়ে দেখল দুই টাকার একটা কয়েন।ওর শেষ সম্বল। একটা "সস্তা আইসক্রিম" কিনল।আবার গেল ঊর্মির কাছে।
-"ধর,আইসক্রিম"।
-"আইসক্রিম খামু কইসি আমি?"
-"আরে খাওয়ানোর লাইগা না। যেখানে ব্যথা পাইসস ওখানে লাগা। ব্যথা কমবো।"
ঊর্মির চোখে পানি ছিল।এবার আর আসলো।তবে সেই অশ্রু দুঃখের না। ভালবাসার।

.



.


(৪)
-"আফনে মারলেন কেন আমার বন্ধুকে?"। প্রচণ্ড রাগে দারোয়ানকে প্রশ্ন করলো সুমন।দারোয়ান তখন মাত্র ভাত খেয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।এই দুপুরে এমন প্রশ্ন করলে স্বভাবতই মেজাজ খারাপ হওয়ার কথা।
-"ফিন্নির পুত।মারসি ঠিক করসি মা*টারে। বেশি চিল্লাচিল্লি করসে কেন!"।
-"গালি দিবেন না কইলাম।"
-"একশ বার দিমু।ওই মাইয়াটা মা* খা*কি।"
রক্ত আগেই উঠে ছিল সুমনের মাথায়। এবার রীতিমত মগজ সহ উঠে এল এই কথা শুনে।আশেপাশে তাকাল।অনেক ভিড় জমে গেছে।কিছুটা দূরে অনেক গুলা পাথরের স্তুপ।কি করতে হবে দ্রুত ভেবে নিলো সুমন।যা হওয়ার হবে। সে ছেলে,ছেলেদের ভয় পেতে নেই। ধীরে সুস্থে একটা পাথর হাতে নিলো।


.


.

(৫)
কিশোর সংশোধন কেন্দ্রের গেটের সামনে সুমন।আহ!!আজ তার মুক্তি।দীর্ঘ ১২ বছর পর।কিশোর সংশোধন কেন্দ্র থেকে সবাই বড় সন্ত্রাসী হয়ে বের হলেও সুমন সে পথে যায়নি। যেতে পারত,ঊর্মি যেতে দেয়নি। প্রতিদিন না হোক,মাসে দুই তিনবার এখানে আসতো সে সুমনের সাথে দেখা করতে।

সেই কিছুটা মুহূর্ত কেন জানি খুব দ্রুত চলে যেত।ঊর্মি তাকে স্বপ্ন দেখাত। মুক্তি পাওয়ার পর তাদের ছোট্ট একটা ঘর হবে,সংসার হবে।সেই সংসারে একটা বাবু থাকবে। ছোট্ট বাবু।বাবুর কথা বলতেই ঊর্মির মুখ কেমন জানি লাল হয়ে যেত।সুমনের খুব ভাল লাগত সেটা।

.




(৬)
আজ পিয়াসের বিয়ে।বাবার মত সেও এখন বিজনেসম্যান। তবে বিয়ে নিয়ে সে একদমি খুশি না। এক তরকারি কয়দিন আর খাওয়া যাবে!! বিয়ের পর একশটা মেয়ের সাথে টাইম পাস করা,রাত কাটানো,সব শেষ।ধুর!! এখন আবার বউ কাবিলতি করবে।বউ এর নামটা অবশ্য সুইট।মাইশা। তার পরও।একজনের সাথে সারা জীবন থাকা কিভাবে পসিবল!!

.




(৭)
একলা পথে হেঁটে যাচ্ছে ঊর্মি আর সুমন।জানেনা কোথায় যাবে।শুধু
জানে,একসাথে থাকতে হবে। খুনি ছেলের সাথে ঊর্মির পরিবার বিয়ে দিতে রাজি না।কিন্তু ঊর্মি নারাজ।সুমন যা করেছিল,তার জন্যই তো। সে কিভাবে সুমনকে ফিরিয়ে দিবে?
-"ঊর্মি,এখন কি করবি?"
-"আমি কোন বাসাতে কাজ নিবো।তুইও টুকটাক কিছু করবি।দুজনের
চলে যাবে ভালোমতোই।"
হটাত থমকে দাঁড়ালো তারা। একটা ফ্ল্যাটের সামনে সাইনবোর্ড। অল্প অল্প পড়তে পারতো দুজনেই। পড়ে দেখল দারোয়ান আবশ্যক। আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মত হেসে উঠলো তারা দুজন।

.




(৮)
বেল বাজতেই মাইশার চোখ কুঁচকায় গেল।এই টাইমে আবার কে আসছে।নতুন সংসার,সব কাজ তাকেই করতে হচ্ছে।
বুয়া,দারোয়ান,কিছুই পাওয়া যায়না।একটা বুয়া না হলেই নয়। দরজা খুলতেই দেখল দুজন মানুষ।অল্প বয়সি।দেখে স্বামী-স্ত্রীই মনে হচ্ছে।
-"কি চাই!!"
-"আফা,বাইরে সাইনবোর্ড দেখলাম দারোয়ান লাগবে। যদি আমাকে রাখতেন।"
-"কি নাম তোমার?"
-"সুমন।আর ও আমার বউ ঊর্মি।"
-"দারোয়ানতো একজন লাগবে।বউকে কয় রাখবা?"
-"সেটআর বন্দবস্ত করুম আফা"।
-"আচ্ছা তোমার বউ এই বাসায় কাজ করতে পারবে?আমার একটা কাজের বুয়া দরকার"।
-"পারুম আফা।"
-"গুড।তাহলে আজ থেকেই কাজে লেগে যাও।গেটের পাশে ঘরটা তোমাদের।"


জীবনে হটাত এতটা সুখ পেয়ে চোখে পানি চলে আসলো ঊর্মির। যে স্বপ্ন ছোটকাল থেকেই দেখে আসছে,তা আজ সত্য।সুমন আর ঊর্মির ছোট্ট সংসার।সারাদিন কাজের ফাঁকে এটা ওটার নাম দিয়ে সুমনের উপরে উঠা,তারপর ঊর্মিকে আড়চোখে দেখা।জীবনটা স্বপ্নের মতই লাগছিল।তাদের এই ভালবাসা,এই খুনসুটি দেখে মিসেস মাইশারও ভাল লাগত।মুচকি হাসত।





.

(৯)
হর্ন দিতেই কে জানি গেট খুলে দিলো।"যাক,মাইশা তার মানে দারোয়ান পেয়েছে।",মনে মনে বলল পিয়াস।এই কটা দিন চমৎকার গিয়েছে তার।প্রজেক্টটা সাকসেসফুল তো হয়েছেই,তার উপর তার নতুন সেক্রেটারি সুন্দরি মেয়েটার সাথে সময় কাটানো।মেয়েটির সাথে একেকটি রাত যেন কিভাবে তাড়াতাড়ি কেটে যেত সে টেরই পেত না।আহ!!বাসায় ঢুকেই মাইশাকে জড়িয়ে ধরল পিয়াস।এসব কাজ সে খুব ভালই পারে। হাজার হোক,বউকে তো খুশি রাখতে হবে।
-"থাক থাক,আর ভালবাসা দেখাতে হবে না।এই ৭ দিন একটা কল ও দাও নাই তুমি!!"।
-"কি করব জান বল!!অফিসে এত কাজ। তবুও প্রজেক্টটা সফল হয়েছে।"
-"হুম ভাল।আমি দারোয়ান আর বুয়া,একসাথে পেয়েছি।স্বামী-স্ত্রী ওরা।"
-"ওয়াও!!একটার সাথে দেখি একটা ফ্রি।আচ্ছা এখন খাবার দাও।খুব ক্ষুধা পাইসে।"

ফ্রেস হয়ে টেবিলে বসতেই পিয়াস নতুন বুয়াটাকে দেখল। ছিপছিপে শরীর,একটা শাড়ি পরেছে। আগাগোড়া দেখেই পিয়াসের মাথা ঘুরায় গেল। মনে মনে বলল,"খাসা মাল একদম"। সাথে সাথে প্ল্যান করে ফেলল,এই মেয়েকে যেভাবে হোক,মজা নিতেই হবে।




.

(১০)
-"সুমন,শুনো।আমার বাড়ি থেকে কিছু জিনিস আনতে হবে। তুমি গাড়ি নিয়ে চলে যাও।আজ
থেকে কাল চলে এসো।"
-"আচ্ছা ঠিক আছে সাব।"
-"যাক একটা বিপদকে দূর করা গেল।",মনে মনে ভাবল পিয়াস।
মাইশা আজ বাপের বাড়ি যাবে।এই সুযোগ।নতুন তরকারিতে মুখ দিতে হবে। রাত ১১ টা।
আস্তে আস্তে দারোয়ানের রুমের দরজা খুলল পিয়াস। ঊর্মি অঘোরে ঘুমাচ্ছে।পিয়াস খাটে বসতেই জেগে উঠলো সে। সাহেবকে দেখে চমকে উঠলো।দ্রুত নিজের শাড়ির আঁচল ঠিক করতে গেল।সেটা আর করতে দিলো না পিয়াস।শক্ত করে মুখটা চেপে ধরল ঊর্মির।
......


বাড়ি থেকে আসার পর থেকে কেমন জানি মনমরা দেখাচ্ছে ঊর্মিকে। বিষয়টা খেয়াল করলো সুমন।জিজ্ঞেস করলো সব ঠিক আছে কিনা। অনেক সংকোচ করে সব বলল ঊর্মি সুমনকে।সেই ২০ বছর আগের মত মাথায় রক্ত উঠে গেল সুমনের।কিন্তু তখন চুপচাপ থাকল। রাত ১২ টা।সুমন পিয়াসের রুমের সামনে।অঘোরে ঘুমাচ্ছে পিয়াস।ঘুমা। হাতের বড়
রডটা উপরে তুলে নিলো সুমন।







.

(১১)
কারারক্ষী রহমান মিয়ার একটা জিনিস অবাক লাগে। একটা মেয়ে প্রতিদিন এখানে আসে।
কিন্তু কিছুক্ষন থেকেই চলে যায়।কার সাথেই কথা বলে না।রহমান সাহেব কয়েকবার জিজ্ঞেস করলেও উত্তর দেয় না। সুমনের ফাঁসির আদেশ হয়েছে।যে মানুষ কিশোর বয়সে একজন লোকের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলো ,এই খুনের পর তাকে বাঁচিয়ে রাখা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। সুমনের কোন দুঃখ নেই।শুধু আছে কয়েকটা জিজ্ঞাসা। আদালতে দেখেছিল তার পক্ষেও উকিল ছিল।এই উকিল নিয়োগ দিয়েছিলো কে?সেদিন বাড়িতে যাওয়ার আগে ঊর্মি বলেছিল আসার পর একটা খুশির খবর দিবে।খবরটাই বা কি?আড় ঊর্মি কোথায়?একদিন ও আসে নি কেন তার সাথে দেখা করতে? রাত ১১ টা।রহমান মিয়া বাসায় ফিরছেন।এই টাইমে এই পথে সব খারাপ মেয়ের আনাগোনা।গা ঘিনঘিন করে। তবুও কিছু করার নেই হটাত সোডিয়াম বাতির আলোয় একটা মেয়েকে দেখে থমকে দাঁড়ালো। হ্যাঁ ওই মেয়েটিই তো মনে হচ্ছে!! সাজপোশাকে তো ঐ টাইপের মেয়ে গুলার মত।কি করছে ও এখানে?দ্রুত তার কাছে গেল।সমাধান করতে হবে এই রহস্যের!






.



(১২)
-"আফনে এই বুড়া বয়সেও ছাড়তে পারলেন না এসব!!জোর আসেনি আসেনি শরীর আফনের!!",বলেই হেসে উঠলো টুকলি।এই পেশায় আসলে নাম বদলাতে হয়।ঊর্মি ফুরমি চলে না এসব জায়গায়।
-"আমি তোমাকে অইসব করতে এখানে আনি নাই।"বললেন রহমান মিয়া।
-"তাইলে কি আমার প্রেমে পরসেন?? বিয়া করবেন আমারে??। "
-"কে তুমি?প্রতিদিন জেল গেটেই বা কেন যাও??"
প্রশ্ন শুনে থমকে গেল টুকলি।
-"আপনাকে কেন বলব?আপনি কে?।"
-"আমি জেলের গার্ড।তুমি আমার মেয়ের বয়সি।দয়া করে বল মা।"
সব শুনে থমকে গেল রহমান সাহেব। যে ছেলেটির আজ ফাঁসির আদেশ হয়েছে,এ তার স্ত্রী।
-"তুমি এই পথে এলে কিভাবে??"
-"উকিলের খরচ জোগানো,নিজের চলা,বাচ্চার খরচ চালানো অনেক কঠিন সাব।"
-"তোমার স্বামীর তো আগামিকাল ফাঁসি হবে।দেখা করবে না??"
-"কি মুখ নিয়ে দেখা করব? আমি একটা নষ্ট মেয়ে!! সাহেব,জানেন,আমার কি ভাগ্য। আমি মরতেও পারছি না আমাদের বাবুটার জন্য।সাহেব,আপনার কাছে অনুরোধ,অরে গিয়ে বলবেন শুধু যে খুশির খবরটা ছিল আমাদের বাবু হওয়ার কথা। বাবুর বয়স এখন ২ বছর।আমি যাই সাহেব।"








.



(১৩)
ভোর ৪ টা। সুমনের ফাঁসির সব প্রস্তুতি শেষ। যমটুপি পরানো হচ্ছে এখন।তবুও তার কোন ভয় লাগছে না।সে স্বপ্ন দেখছে। সারাদিন কাজ করার পর ভাত খেতে বসেছে।পাশে ঊর্মি হাত পাখা হাতে।আর সুমনের পাশে তাদের বাবু।ছোট্ট বাবু।কি মধুর স্বপ্ন। পাটাতন খুলে গেছে নিচে।নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে তার খুব।তবুও প্রাণপণে নিঃশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছে সুমন।স্বপ্ন তো মাত্র শুরু হল।আর কিছুটা সময় কি হবে না? অল্প কিছু সময়?? স্বপ্ন তো মাত্র শুরু হল!!
 
Top